শিক্ষক নিয়োগের গরমিলের প্রতিবাদ করছিল ছাত্রছাত্রীরা। ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওটা সেই বিক্ষোভ সামলাতে পুলিশ এলে শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে সংষর্ষ। তারই জেরে গুলিতে মৃত্যু হলো পশ্চিমবঙ্গের ইসলামপুরের দুই ছাত্রের। অভিযোগ, পুলিশের গুলিতেই প্রাণ হারিয়েছে দুই ছাত্র রাজেশ সরকার এবং তাপস বর্মন।
স্কুলে বাংলা শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে বেশ কিছু দিন ধরেই প্রতিবান জানিয়ে আসছিলো ইসলামপুরের দাড়িভিট হাইস্কুলের ছাত্ররা। বুধবার থেকে তারা গেটের বাইরে ধর্ণা সুরে করে। বৃহস্পতিবার দুই শিক্ষক কাজে যোগ দিতে এলে তাদের আটকে দেওয়া হয়। পুলিশ এলে ধর্ণা ওঠানোর চেষ্টা করলে অবস্থা মারমূখী চেহারা নেয়। বোমাবাজি, গুলি ও পাথর ছোড়াড়াছুড়ি শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে। গুলিবিদ্ধ হয়ে সেখানেই মৃত্যু হয় একুশ বছরের রাজেশ সরকারের। প্রাক্তন ছাত্র রাজেশের পরিবারের দাবি, সে সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশের গুলিস শিকার। যদিও, এখনো পর্যন্ত পুলিশ এই দাবি অস্বীকার করেছে।
শুক্রবার সকালে মারা যায়, গুলিবিদ্ধ আরেক ছাত্র তাপস বর্মন। ঘটনার জেরে থমথমে পরিস্থিতি ইসলামপুরে। রাতেই মৃত চ্যাটের বাড়ি যান এলাকার সিপিআইএম সংসদ মহম্মদ সেলিম। শুক্রবার উত্তর দিনাজপুর জেলায় বারো ঘন্টার বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।
আজ রাজ্য জুড়ে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাং ছাত্র সংগঠন এসএফআই।
ঘটনার জেরে স্বভাবতই অস্বস্তিতে তৃণমূল সরকার। যদিও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কিছু মন্তব্য করতে চাননি তৃণমৃল নেতা ও শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সংশ্লিষ্ট ডি আই কে সাসপেন্ড করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন জার্মানিতে। কিন্তু বাগড়ি মার্কেটের যৌন থেকে শুরু করে উত্তরদিনাজপুরের গুলি, একের পর এক অশান্তিতে স্পষ্টতই ব্যাকফুটে সরকার পক্ষ।
Also read: Religious Polarization In Bengal: Where The Ruling TMC & Opposition BJP Come Together